[sg_popup id=7771]

Our Updates

Meet Sharifa

শরীফা’র গ্রামের বাড়ী ফতেহপুর, নেত্রকোণা। বাবা জলিল মিয়া রিক্সাচালক, মা ঘর-সংসার সামলায়। তিন ভাইবোনের মধ্যে শরীফা সবার বড়। বস্তির একটা ঘুপচি ঘরে ওদের পাঁচজনের বাস। স্বাভাবিকভাবেই, টানাটানির সংসার। অনেকদিন পরপর ওরা পরনের নতুন জামাকাপড় কিনতে পারে। পায়ের স্যান্ডেলগুলো বারবার ছিঁড়ে একেবারে হাঁটার অযোগ্য না হওয়া পর্যন্ত তাতে মুচির সেলাই পড়তেই থাকে।

এত সব প্রতিবন্ধকতা স্বত্তেও, ঘর ভাড়া আর সবার খাওয়ার খরচ মেটানোর পর প্রতিমাসে যে টাকাটা অবশেষে হাতে থাকে, তা থেকে অন্তত ৫০০ টাকা করে সঞ্চয় করে আসছে জলিল মিয়া। উদ্দেশ্য, অভাবের কারণে যেন কোনদিন তার সন্তানদের পড়াশোনা থেমে না যায়, তা নিশ্চিত করা।

শরীফা’র বাবা-মা’র খুব ইচ্ছা, জাগো স্কুল থেকে পাশ করে তাদের মেয়ে কলেজে যাবে, বড় হয়ে শুদ্ধ বাংলার সাথে সাথে সুন্দর করে ইংরেজীতেও কথা বলবে, ভাল একটা অফিসে ভাল বেতনে চাকরী করবে, মেয়ে তাদের বৃদ্ধকালে দেখে রাখবে। তখন সে মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেবে, আয়েশ করবে – মাঝে মাঝেই রাতে শুয়ে শুয়ে ভাবে জলিল মিয়া। একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পাশ ফিরে শোয় সে।

জাগো স্কুলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বেড়ে ওঠা আমাদের এই শরীফা’র মত সমাজের আরো অনেক চরম দরিদ্র পরিবারের শিশু এখন একটু একটু করে স্বপ্ন দেখছে ভবিষ্যতে ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার, বড় কিছু করে দেখাবার; মানসম্মত শিক্ষা প্রদান নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি জাগো স্কুল তাদের বড় স্বপ্ন দেখার সাহস আর আত্মবিশ্বাসও যোগাচ্ছে।

শরীফা’র বাবার স্বপ্ন সত্যি করতে আর তার পরিবারকে একটা সুন্দর ভবিষ্যত উপহার দিতে এভাবেই কাজ করে যাচ্ছে জাগো ফাউন্ডেশন, গত ৯ টি বছর ধরে। সারা দেশজুড়ে জাগো’র ১৩টি স্কুলের মাধ্যমে বর্তমানে সুবিধাবঞ্চিত সমাজের প্রায় ২,২০০ শিশু লেখাপড়া শিখছে। আর জাগো স্কুলে শরীফা’র মত শিশুদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে শুধুমাত্র আপনারই মত কিছু সহৃদয় মানুষের সুন্দর সিদ্ধান্তের ফলে।

আমাদের চাইল্ড-স্পন্সরশীপ প্রোগ্র্যামের মাধ্যমে, আপনি মাসিক মাত্র ২,০০০ টাকার বিনিময়ে শরীফা’র মত অন্তত একজন জাগো শিশুর লেখাপড়ার খরচের দায়িত্ব নিতে পারেন!

আমাদের চাইল্ড স্পন্সরশীপ প্রোগ্র্যামের বিস্তারিত জানতে ভিসিট করুনঃ   Click here

চাইলে এখনই কল করতে পারেন আমাদের হটলাইনেঃ Contact – +880 1766 666 662

[Contains pseudonym for reserving privacy rights only]